শিং হচ্ছে Siluriformes বর্গের একটি পরিবারের নাম। এই মাছ সাধারণত এশিয়ায় পাওয়া যায়। এদের মুখে গোঁফ আছে। শিং মাছকে আবার জিওল মাছ বলে অনেকই চিনে থাকেন। বাংলাদেশে এটির অনেক চাহিদা রয়েছে।

শিং বা জিওল মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর পুষ্টিগুণও অন্যান্য যে কোন মাছের তুলনায় অনেক বেশি। শিং মাছের পুষ্টিগুণ অনেক থাকায় এই মাছের চাহিদাও ব্যাপক। শিং মাছকে রুগীর খাদ্য হিসাবে অনেকেই জানে। প্রতি ১০০ গ্রাম শিং মাছে ২২ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিন ,২ দশমিক ৩ মিলিগ্রাম আয়রন ৬৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।

এই মাছে প্রচুর পরিমানে আয়রন রয়েছে। তাই শরীরের রক্তস্বল্পতা পূরনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

এতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত মজবুত ও দৃঢ় করে।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুন বৃদ্ধি পায়।

শরীরের বাত কমায়।

প্রসবের পরে মায়ের বুকের দুধ কম হলে শিং মাছ খেতে পারেন। এটা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

নিয়মিত শিং মাছ খেলে শরীর বেশিরভাগ রোগমুক্ত থাকে।

বাড়ন্ত শিশুর জন্য প্রোটিন জরুরি। শিং মাছ প্রোটিনে ভরপুর একটি খাবার। পাশাপাশি এর বড় সুবিধা হলো এটি লো ফ্যাট। এছাড়াও এর মধ্যে ভিটামিন বি এবং প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে।

Shopping cart

close
Scroll To Top
Facebook Twitter Instagram YouTube Pinterest